আখরোট ওষুধ ও পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়

Walnuts

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আখরোটকে কাগজি বাদামের সমতুল্য বলা হয়। আখরোট স্বাদে মধুর ও বলকারক। আবার পুষ্টিকারক, বায়ু ও পিত্তনাশক। পাশাপাশি শীতল, কফকারক ও রক্তদোষ প্রশমক। ইংরেজিতে বলা হয়ে থাকে ওয়ালনাট। চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়। এক্ষেত্রে খোসা ছাড়ানোর পর ২টি সাধারণত খাওয়া যেতে পারে।

অন্য বাদামের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হলে ২ টুকরো খেতে হবে। এটি বাতব্যাধির ক্ষেত্রে ও হৃদরোগে ওষুধ ও পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে জানিয়েছেন, এটি হার্টের শিরা থেকে প্রদাহ ও অক্সিডেশান কমাতে সাহায্য করে। তবে এটি বেশি খাওয়া উচিত নয়। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট থাকে। আবার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ফাইটোকেমিক্যালস, আয়োডিন, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলেট থাকে।

পাশাপাশি ওমেগা-৬ ও ৯ ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা-৩ আলফা লিনোলেলিক অ্যাসিড, গ্লাটাথিওন ও নানাবিধ অ্যামাইনো অ্যাসিডও প্রচুর পরিমাণে থাকে এই বাদামে। লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার অ্যামোনিয়াকে ডিটক্সিফাই করে। এমনকী হাড়কে শক্ত রাখতে সাহায্য করে। হাড়ের ক্ষয়কেও প্রতিহত করে থাকে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, উচ্চ মাত্রায় ফ্যাট থাকলেও শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিসের রোগীরা অনায়াসে খেতে পারেন। হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য এটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এটি কোলেস্টেরলের সমতা রক্ষা করে থাকে। ২টি আখরোটের সঙ্গে ২টি আমন্ড বাদাম প্রতিদিন সকালে খেলে উপকার পাওয়া যায়। আবার মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করার জন্য সেলেনিয়াম ও ওমেগা-৩-এর অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। এটিকে ব্রেনফুড বলা হয়ে থাকে। এছাড়া ব্রেস্ট, কোলন ও প্রস্টেট ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করার জন্য আখরোটের গুরুত্ব রয়েছে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসাশাস্ত্রে বলা হয়েছে, বাতের রোগের ক্ষেত্রে ও অপুষ্টিতে প্রত্যহ ২টি করে আখরোট খেলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে ২ বার চিবিয়ে খেতে পারেন। সরবত করেও খাওয়া যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *