বন্যা কবলে জেলা : পরিদর্শনে মমতা-সুকান্ত

east midnapur flood

বন্যা দুর্গত রাজ্যের বিভিন্ন জেলার একাংশ। দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি। ডিভিসির মাইথন ও পাঞ্চেত বাঁধ থেকে জল ছাড়ার কারণে বাঁকুড়া,পূর্ব বর্ধমান,হুগলি সহ হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত। পাশাপাশি অন্যান্য বাঁধ থেকে জল ছাড়ার প্রভাব পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বেশ কয়েকটি জেলায়। রীতিমতো বন্যার কবলে দক্ষিণবঙ্গের ১২টি জেলা। এই মুহূর্তে দুর্গত মানুষের সংখ্যা বলা হচ্ছে প্রায় ৪৫ লক্ষের কাছাকাছি। একটানা বৃষ্টির জেরে এবং দুর্যোগে বন্যা জনিত পরিস্থিতিতে ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বহু এলাকা জলমগ্ন এবং একাধিক ব্লক বিচ্ছিন্ন বলে জানা যায়। বন্যা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । গতকাল হুগলির পুরশুড়া, গোঘাট-আরামবাগ এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে যান তিনি।
আজ পাঁশকুড়া, রাতুলিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা সরেজমিনে প্রদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্তও করলেন । অন্যদিকে পাঁশকুড়ায় বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। রাজ্যবাসীর একাংশ বন্যা পরিস্থিতির কারণে বিপদের সম্মুখীন। বীরভূমের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে নিরন্তর যোগসূত্র রাখার বার্তাও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, এ বছর কোনও আলোচনা ছাড়াই প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটি একটি ‘ম্যান মেড বন্যা’ ছাড়া আর কিছুই নয় । প্রশাসনিক তৎপরতা বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *