বাজেটে একঝলক : নারী ক্ষমতায়নে নজর

nirmala and budget

অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ কেন্দ্রীয় সরকারের। এই বাজেটের দিশা কোনদিকে তা নিয়ে আম-জনতার নজর ছিল। লোকসভা নির্বাচনের বছর। লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট পেশ করলেন। অন্তর্বর্তী বাজেট হলেও দেশের মানুষের প্রত্যাশা রয়েছেই। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে ভারত,এমন ঘোষণা পূর্বেই ছিল। চলতি আর্থিক বছরে ভারতের অর্থনীতি ৭.৩ শতাংশ বাড়বে বলে কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে। তবে দেশে কর্মসংস্থানের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ। যে বাস্তব চিত্রটি সামনে এসেছে সেটি হল-এই মুহূর্তে ভারতে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ। দেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এই বাজেটে কী তুলে ধরা হবে তার দিকে তাকিয়ে ছিল আম জনতা। অন্যদিকে বাজেটে আর কী কী বিষয় থাকবে সেদিকেও সবার নজর ছিল। অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,কৃষিক্ষেত্রের বিকাশে অগ্রাধিকারের আশা দেখা যাচ্ছে। নিবার্চনের দিকে তাকিয়ে কৃষিক্ষেত্ৰে বিশেষ ঘোষণা অন্তর্বর্তী বাজেটে। পিএম-কিষাণ প্রকল্পে চাষিদের জন্য অনুদান বাড়তে পারে এমন সম্ভাবনাও ছিল। উল্লেখ্য,২০২৩-২৪ সালের বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের জন্য বরাদ্দ করা হয় ১,২৫,০৩৬ কোটি টাকা। অসংগঠিত ক্ষেত্রগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য কী রয়েছে,সেদিকেও চোখ ছিল বিশেষজ্ঞদের। পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিতে এবং বড় কী কী ঘোষণা থাকছে তার দিকে সবার নজর। দেখে নেওয়া যাক কী ঘোষণা করা হয়েছে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে ।
৪০ হাজার কোচকে বন্দে ভারতের কোচের মতো রূপান্তর করা হবে। সাধারণ ট্রেনে বন্দে ভারতের মতো কোচ বসানো হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ২০২৪ অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে বিগত ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরলেন। অন্যদিকে ছাদে সোলারাইজেশনের মাধ্যমে ১ কোটি পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেছে সেকথাও তুলে ধরলেন। নারী ক্ষমতায়নেও নজর কেন্দ্রের। দেশের ৩ কোটি মহিলাকে “লাখপতি দিদি” প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। উল্লেখ করা যায়, গত বছর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসে এই প্রকল্প চালুর ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে ২ কোটি মহিলাকে এই প্রকল্পের অধীনে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়। এই বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৩ কোটি করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি সম্পর্কে বিশদে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। “লাখপতি দিদি” যোজনার উদ্দেশ্য- দারিদ্র্য দূর ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। এই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রতি বছর ১ লক্ষ টাকার বেশি তাঁরা যাতে আয় করতে পারেন,সেদিকে নজর দেওয়া হবে। মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ড্রোন দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। সেই ড্রোন চালানো ও মেরামতির প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে বলে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে জানানো হল। (ছবি:সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *