এনটিএ ইউজিসি নেট পরীক্ষার দরখাস্ত নিচ্ছে

NET STUDENT

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পদে আবেদনের জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) আয়োজিত ডিসেম্বর ২০২০ সাইকেল (মে ২০২১)-এর জন্য ‘ইউজিসি নেট’ পরীক্ষার দরখাস্ত নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ‘ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট’ হবে ২ থেকে ৭, ১০ থেকে ১২, ১৪ এবং ১৭ মে। দুটি পেপার মোট ৮১টি বিষয়ে সিঙ্গল সিফটে পরীক্ষা নেবে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। এই পরীক্ষার মাধ্যমে সারা দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে নিয়োগের জন্য এবং জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য প্রার্থীবাছাই হবে।

মোট অন্তত ৫৫ (তফশিলি, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গদের ক্ষেত্রে ৫০) শতাংশ নম্বর সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মাস্টার ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারেন। যাঁরা চূড়ান্ত বর্ষের দিয়েছেন বা দিচ্ছেন কিংবা দেবেন, তাঁরা শর্তসাপেক্ষে আবেদনের যোগ্য। তাঁদের ক্ষেত্রে নেট পরীক্ষার ফলপ্রকাশের ২ বছরের মধ্যে ওই শতাংশ নম্বর নিয়ে মাস্টার ডিগ্রি পাশ করতে হবে। পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা ১৯৯১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাস্টার ডিগ্রি সম্পূর্ণ করে থাকলে মোট নম্বরের ওপর ৫ শতাংশের ছাড় পাবেন। মাস্টার ডিগ্রির বিষয়গুলি জানতে পারবেন নিচে বলা ওয়েবসাইটে।

যাঁরা ১৯৮৯ সালের আগে ইউজিসি/ সিএসআইআর জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাঁদের নেট পরীক্ষায় সফল না হলেও চলবে। এছাড়া যাঁরা অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের জন্য ২০০২ সালের ১ জুনের আগে ইউজিসি আয়োজিত স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট (সেট)-এ সফল হয়েছেন তাঁদেরও নেট পরীক্ষায় বসতে হবে না এবং এইসব প্রার্থীরা অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের জন্য যে কোনও জায়গায় আবেদন করতে পারেন।

বয়স হতে হবে ১-৩-২০২১ তারিখের হিসেবে জুনিয়র ফেলোশিপ পদের ক্ষেত্রে ৩১ বছরের মধ্যে। তবে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের ক্ষেত্রে বয়সের কোনও উর্দ্ধসীমা নেই। তফশিলি/ শারীরিক প্রতিবন্ধী/ তৃতীয় লিঙ্গ ও মহিলারা ৫ বছর বয়সের ছাড় পাবেন।

এনটিএ আয়োজিত ২০২১ সালের মে মাসের নেট হবে কম্পিউটার বেসড অবজেক্টিভ মাল্টিপল চয়েজ টাইপ পরীক্ষার মাধ্যমে। থাকবে দুটি পেপার। ১০০ নম্বরের প্রথম পেপারে থাকবে রিজনিং এবিলিটি, রিডিং কম্প্রিহেনশন, ডাইভার্জেন্ট থিঙ্কিং এবং আওয়ার্নেস বিষয়ের ৫০টি প্রশ্ন। ২০০ নম্বরের দ্বিতীয় পেপারে থাকবে প্রার্থীর বাছাই করা বিষয়ের ওপর ১০০টি প্রশ্ন। উত্তরের জন্য মোট সময় পাবেন ৩ ঘণ্টা। কোনও নেগেটিভ মার্কিং নেই।

পরীক্ষা হবে ২ থেকে ৭, ১০ থেকে ১২, ১৪ এবং ১৭ মে পর্যন্ত। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র আছে। প্রার্থীকে এরমধ্যে থেকে যে কোনও ৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র বেছে নিতে হবে। প্রথম সিফটে পরীক্ষা হবে সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় সিফটের পরীক্ষা হবে দুপুর ৩টে থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন নিচে বলা ওয়েবসাইট থেকে। দিনক্ষণ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। ফল প্রকাশিত হবে ৫ জুলাই। পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় সঙ্গে নেবেন বৈধ অ্যাডমিট কার্ড, ১ কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সার্টিফিকেট।

আবেদন করবেন অনলাইন https://ugcnet.nta.nic.in ওয়েবসাইটের মাধ্যেম, ২ মার্চের মধ্যে। অনলাইন আবেদন করতে বসার আগে যাবতীয় প্রমাণপত্র স্ক্যান করে রাখবেন। দরখাস্ত করে সময় আপলোড করতে পারেন। প্রথমে ওপরে বলা ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তখন পাবেন রেজিস্ট্রেশন আইডি ও পাসওয়ার্ড। এগুলি যত্ন করে লিখে রাখবেন। অনলাইন আবেদনপত্রে ভুল সংশোধন করতে পারবেন ৫ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত।

আবেদনের ফি বাবদ দিতে হবে ১,০০০ (ওবিসিদের ক্ষেত্রে ৫০০, তফশিলি/ শারীরিক প্রতিবন্ধী/ তৃতীয় লিঙ্গ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ২৫০) টাকা। ৩ মার্চের মধ্যে অনলাইনে ফি জমা দেবেন ডেবিট/ ক্রেডিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে। এবার যাবতীয় তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে সিস্টেম জেনারেটেড অ্যাপ্লিকেশনের ৪ কপি প্রিন্ট নিয়ে নিজের কাছে রাখবেন। পরে প্রয়োজন হবে। কোনও তথ্যের জন্য ফোন করতে পারেন এই নম্বরে: 0120-6895200. আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন ওপরে বলা ওয়েবসাইটে।

পিডিএফ ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন: এখানে
অনলাইন আবেদন করুন: ।। রেজিস্ট্রেশন ।। লগ ইন ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *