Category: Enviornment
বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। উপকূলবর্তী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ অঞ্চল। ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এক অদ্ভুত বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় এখানে। জলে কুমির ও ডাঙ্গায় বাঘের মুক্তাঞ্চল বলা হয়ে থাকে। সুন্দরী-গরান-হেঁতাল সহ নানা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সমাহার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জুড়ে যে জল-জঙ্গলময় অরণ্য রয়েছে সে কথাই তুলে ধরতে চাই। এখানে জলযানই একমাত্র গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। নদীর দু-পাশে অরণ্য ও জলরাশি বেষ্টিত। আশাকরি বুঝতেই পারছেন কোথাকার কথা বলছি। বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন? শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ক্যানিং পৌঁছে সুন্দরবন যাওয়া যায়। এছাড়া গাড়ি নিয়ে বাসন্তী ব্রিজ পার হয়ে গোসাবা পৌঁছেও সুন্দরবন যাওয়া যায়। তবে সজনেখালিতে বনদফতরের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রথমেই জেনে নিন-সোনাখালি,ঝড়খালি,নামখানা,ধামাখালি,গদখালি,হাসনাবাদ থেকে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু করা যায়।
উষ্ণতম নববর্ষ : আসল শীত অধরা : কুয়াশার আস্তরণ
উষ্ণতম নববর্ষ। আইএমডি সূত্রের খবর,১২৩ বছরের ইতিহাসে ২০২৩ সাল ছিল দেশের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর। ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পূবালী হাওয়ার প্রভাবে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে ভোরে বা সকালে কুয়াশা থাকছে। অন্যদিকে উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য ভারত হয়ে দেশের পূর্ব অংশে কুয়াশার আস্তরণ। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন,উত্তুরে হাওয়ার জোর না বাড়লে শীতের তীব্রতা বাড়বে না। পশ্চিমে আফগানিস্তান থেকে পুবে ত্রিপুরা পর্যন্ত এলাকা কুয়াশার দখলে চলে যাওয়ার কারণে আসল শীত এই মুহূর্তে অধরা। দিল্লিতে লাল সতর্কতা জারি।
পরিবেশ রক্ষা : প্লাস্টিক উৎপাদন-ব্যবহার
প্লাস্টিকজাত দূষণের প্রকোপ থেকে পরিবেশকে বাঁচাতে না পারলে মনুষ্যকূলও সুস্থভাবে বাঁচতে পারবে না। এক্ষেত্রে পরিবেশ বাঁচাতে প্রচেষ্টা নেওয়া শুরু হলেও একাধিক প্রশ্নচিহ্ন রয়েই গিয়েছে। প্লাস্টিক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা। ৭৫ মাইক্রেনের কম ঘনত্ব বিশিষ্ট একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্যসামগ্রী উৎপাদন,সরবরাহ,বিপণন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকেই তোয়াক্কা করেন না বলে অভিযোগ।
বঙ্গ প্রশাসন এই সংক্রান্ত বিষয়ে নীতিগ্রহণ ও তা বলবৎ করার প্রয়াস জারি রেখেছেন। গ্রাম-শহর নির্বিশেষে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রচার দেখা যায়। প্রচারমূলক কর্মসূচিও লক্ষ্য করা যায়। তবে দূষণরোধী নীতি ছাড়াও পর্যাপ্ত নজরদারি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নাগরিক অসচেতনতা বিষয়টিও বাস্তব ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। আদর্শ বিকল্প পরিবেশবান্ধব বস্তুর বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। যেমন-শালপাতা,কলাপাতা ও কাগজের উপকরণ প্রভৃতি।
বরফাবৃত সান্দাকফু
বরফে মোড়া সান্দাকফু। শীতে প্রথমবার বরফাবৃত। ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম”-এর পরোক্ষ প্রভাব বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের পাহাড়ে জলীয় বাস্প ও মেঘ রয়েছে। সান্দাকফু এলাকায় এক ইঞ্চি বরফের আবরণ।
পরিযায়ী পাখিদের ঝাঁক
শীতকাল এলেই পরিযায়ী পাখিদের ভিড় বাড়ে। অবাধ আগমন পক্ষীকূলের। জানার মাঝে অনেক অজানা পাখিদের আনাগোনা দেখা যায়। প্রতি বছর উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা সহ বেশ কিছু জেলার নদী-খাল-জলাশয়গুলিতে এই নতুন অতিথিদের দেখা মেলে। প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে অজানা-অচেনা পাখিদের কোলাহল শোনা যায়। কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন পর্যটকরা। এবার পরিযায়ী পাখিদের ঝাঁক সেভাবে দেখা মিলছে না। তিস্তা নদীতে এ বছর পরিযায়ী পাখিদের আগমন সেভাবে দেখা যাচ্ছে না বলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের হতাশ লাগছে। তবে কি পরিবেশের প্রভাবে পরিযায়ী পাখিদের আগমন কমছে।
রঙের উৎসবে মাতোয়ারা বঙ্গ
বসন্ত দুয়ারে। রঙের উৎসবে মাতোয়ারা বঙ্গ। বসন্ত এলেই মনে পড়ে যায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে। সেখানকার রঙের উৎসব অন্য মাত্রা পায়। বসন্ত উৎসব এখন শুধু শান্তিনিকেতনেই সীমাবদ্ধ নয়,পল্লী বাংলার প্রান্তরেও বসন্ত উৎসব রঙিন হয়ে ওঠে।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়।
পরিযায়ী পাখির আনাগোনা
শীতের আমেজ আসতেই পরিযায়ী পাখির আনাগোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। নীল দিগন্ত মেঘ রাশি ভেদ করে পরিযায়ী পাখিদের ভিড় বাড়ছে। গ্রামীণ এলাকা ও শহরাঞ্চলের ঝিল ও জলাশয়গুলিতে পাখিদের দেখা মিলছে। প্রতি বছরের মতো এবারও শীতের বার্তা বয়ে আনছে পরিযায়ী পাখিরা।
বিধাননগরে ডেঙ্গি সচেতনতা প্রচার
ডেঙ্গি সচেতনতা প্রচারে রাজ্যের মন্ত্রী ও বিধাননগরের মেয়র ।
