Category: Enviornment
শীতকালে সর্দি -কাশির উপশমে কী করবেন?
শীতকালে সর্দি -কাশির প্রবণতা বেশি থাকে। শীতের পরশ পড়তেই অনেকের ঠাণ্ডা লেগে যায়। এই সময় সর্দি -কাশি ও কফ প্রভৃতি লক্ষণগুলি মাত্রাছাড়া হয়ে থাকে। শীতের মরশুম আসলেই তাই সতর্ক হওয়াটা স্বাভাবিক। শীত পড়লেই ইমিউনিটি কমতে থাকে । ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু ঘরোয়া উপাদান রয়েছে তা ব্যবহার করতে পারেন। আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডা লাগা থেকে মুক্তি পেতে এইসব জিনিসগুলি ব্যবহার করতে পারেন।
জেনে নিন সূর্যগ্রহণ পর্বে কি বিধি-নিষেধ
দীপাবলির আবহে সূর্যগ্রহণের ছায়া।এই সময় জ্যোতিষ ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু বিধি-নিষেধের কথা জানিয়েছেন। তা মেনে চলাটাও শরীর ও স্বাস্থ্যের পক্ষে মঙ্গলকর। পারিবারিক মঙ্গলের জন্যও এই বিধি-নিষেধ মেনে চলাটা জরুরি।জ্যোতিষ ও শাস্ত্র পণ্ডিতরা বলছেন, গ্রহণ পর্ব মিটে যাওয়া বা সময় পূর্ণ হওয়ার পর ঘর-দোকান,ব্যবসায়িক কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ক্ষেত্র ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। লবণ মেশানো জল দিয়ে তা ধুয়ে ফেললেই ভালো হয়। পরবর্তীতে নিজে স্নান করা সহ দেব মূর্তি স্নান করালে ভালো হয় ।
দীপাবলির লগ্নেই সূর্যগ্রহণ
দীপাবলিতে সূর্যগ্রহণের ছায়া। বিরল এই ঘটনার সাক্ষী থাকবে পৃথিবী। দীর্ঘ ২৭ বছর পর এই ঘটনা ঘটতে চলেছে। দীপাবলিতে সূর্যগ্রহণের ছায়া দেখা যাবে। এ বিষয়ে জানানো হয়েছে, দীপাবলির রাতে লক্ষ্মীপুজোর পর্বেই সূর্যগ্রহণের প্রভাব শুরু হবে। এটি প্রায় ১২ ঘন্টা স্থায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৫ অক্টোবর দীপাবলির পর দিন এই প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে।
মশাবাহিত রোগ ও মাছে মশা নিধন
মশার উপদ্রব। ডেঙ্গির আতঙ্ক। বহু ক্ষেত্রে মশার বংশ ধ্বংস করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মশাবাহিত রোগের দাপাদাপি বাড়ছেই। প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই। একটা সময় “নেচার” পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছিল একটি গবেষণাপত্র।ওই গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছিল, মশাবাহিত রোগের বিকল্প উপায়ের সন্ধান। একদলপতঙ্গবিদের গবেষণায় মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ করার বিকল্প পদ্ধতির কথাও জানা যায়।
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস
প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়ে থাকে। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। বিশ্বে করোনা অতিমারির কারণে এই দিবসটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
উৎসবের আলো-শব্দে বিপন্ন পক্ষীকূল
উৎসবের আবহে বিপন্ন বিভিন্ন পাখিরা। উৎসবের জোরালো আলো ও শব্দে বিপত্তি বাড়ছে পক্ষীকূলের। এমনই উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন পক্ষী-বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, আলো ও শব্দের যন্ত্রণায় নাকাল হতে হচ্ছে। জোরালো আলো ও শব্দের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে পক্ষী-কূল। উজ্জ্বল ল্যাম্পপোস্টের আলো ও উৎসবের দিনগুলিতে আলো ও শব্দের তাণ্ডবে দিশাহীন হয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে নানা প্রজাতির পাখিরা । “বারো মাসের তেরো পার্বণ”-র এই রাজ্যে বিপন্ন হতে হচ্ছে নিরীহ পাখিদের।
সর্বজনীন পুজো ও মানবিক ভাবনা
পুজোর বহর বেড়েছে। সব পুজোই এখন হয়ে উঠেছে সর্বজনীন। শীতলা,মনসা,রক্ষাকালী সহ সব পুজোয় মানুষের আগ্রহ। পুজো বাড়লেই ভক্তি বেড়ে যায়,এমনটাই স্বাভাবিক। সামাজিক হিংসা কমে আসে। বাস্তবে তার প্রতিফলন কতটা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। একটা সময় মাইকের ব্যবহার ছিল পুজোয়। এখন মাইক ময়দানে নেই। বর্তমান সময়ে তার স্থান দখল করেছে সাউন্ডবক্স ও ডিজে।
ভ্রমণে সচেতনতা : সচেতনতায় ভ্রমণ
ছুটির অবসরে ভ্ৰমণপিপাসু মানুষ বেরিয়ে পড়েন সমুদ্র-পাহাড় ও জঙ্গলে। পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে পরিবেশের কথাটি তাঁদের মাথায় থাকে না বলে অভিযোগ বিভিন্ন মহলে। সমুদ্র-পাহাড় ও জঙ্গলে যত্র-তত্র প্লাস্টিক,থার্মোকল সহ জলের বোতল ফেলে থাকেন। পরিবেশ দূষণের বিষয়টি নিয়ে সজাগ হতে দেখা যায় না অনেককেই। আবার পর্যটনের কারণে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীর জল ও মাটিতে দূষণের পরিমাণ বাড়ছে। ভূমিক্ষয় বাড়ছে। ম্যানগ্রোভ সহ বিভিন্ন গাছের চারার বৃদ্ধি ঘটছে না। নতুন করে গাছও গজাচ্ছে না বলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মত ।
পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পদক্ষেপ
দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজো পর্ব সমাপ্ত। শারদ উৎসব শেষ হওয়ার পর পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দেওয়াটাও জরুরি হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় পুজোমণ্ডপ চত্বর সহ বিভিন্ন স্থান অপরিছন্ন হয়ে রয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রান্তে প্রান্তে আবর্জনা পরিছন্ন করার প্রয়াস নেওয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
