জলবায়ু পরিবর্তনে পশুদের মধ্যে সংক্রামক ব্যাধির প্রবণতা বাড়ছে

weather and animals

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। তার জেরে পশুদের মধ্যে বাড়ছে সংক্রামক ব্যাধি। এর থেকে ছড়াতে পারে মানুষের মধ্যেও। এমনই দাবি করা হয়েছে সমীক্ষায়। প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন হওয়াতে এই অবস্থা বলে জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর,গবেষণার জন্য ৭টি মহাদেশের ৭ হাজারেরও বেশি পশুদের উপরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে,এমনই সমীক্ষাতে দাবি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে-দূষণ, গাছ কেটে ফেলা, গ্লোবাল ওয়ার্মিং-সহ একাধিক কারণে জলবায়ু প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,এই পরিস্থিতি দূর করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে তার ফলাফলও মিলছে না। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পশুদের মধ্যে সংক্রামক ব্যাধির প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। এর থেকে সংক্রমিত হওয়ার ভয় থাকছে মানুষেরও।

সূত্রের খবর,জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত ওই সমীক্ষা থার্মাল মিসম্যাচ হাইপোথিসিসের একটি ধারণা দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে,দীর্ঘদিন শীতল এলাকা গরম হতে শুরু করলেপ্রাণীদের মধ্যে এই সংক্রামক ব্যাধি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকবে। এক্ষেত্রে ছোট জীবদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সমীক্ষাটির লেখক ও নোতরদাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসন রোহর জানিয়েছেন, সার্স বা করোনা ভাইরাসের পর থেকে পশুদের থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ ও তা মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হওয়ার বিষয়টি অন্য মাত্রা পেয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কীভাবে ও কত দ্রুত পশুদের মধ্যে ভাইরাস ছড়াচ্ছে তা দেখার প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে এই রোগগুলির চরিত্রে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে কি না সে বিষয়েও লক্ষ্য রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন যাতে না হয় তার জন্য উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
জল- স্থল উভয় ক্ষেত্রের পশুদেরই নির্বাচন করা হয়েছে। এমনকী পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের শরীরে থাকা জীবাণুদেরও। সমীক্ষা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, উষ্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়া জীবাণুদের শীতল এলাকায় নিয়ে এলে তারা বেঁচে যাচ্ছে। তবে উষ্ণ এলাকার প্রাণীদের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় নিয়ে এলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ওই সমীক্ষায় প্রত্যেকটি এলাকার আবহাওয়ার জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ইতিহাস দেখে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে পশুদের মধ্যে একাধিক রোগ বাড়িয়ে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *