আকাশে হারিয়ে যাচ্ছে তারা,উত্তর খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীমহল

star and sky

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আকাশ থেকে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে তারা। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের থেকেই এই তথ্য সামনে আসছে।
মহাজাগতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। সূত্রের খবর,
অন্ধকারের রাতগুলো একসময় তারায় ভরা আকাশ দেখা যেত। সেই রাত এখন আর দেখা যায় না। নক্ষত্র খচিত সেই আকাশ কেন দেখা যায় না তার উত্তর খুঁজে চলেছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীমহল । সূত্রের আরও খবর, এর উত্তরটা পেয়ে গিয়েছেন পুণে এবং বেঙ্গালুরুর দুই বিজ্ঞানী।
ডেকান হেরাল্ড সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশের সব চেয়ে বড়ো টেলিস্কোপ জিএমআরটি-তে চোখ রেখে ৮০০ কোটি বছর আগের হাইড্রোজেন গ্যাসের সন্ধান পেলেন দুই বিজ্ঞানী। জানা গিয়েছে, মোট ৭,৬৫৩টি ছায়াপথ পরীক্ষা করেছেন এই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।এক্ষেত্রে পরীক্ষার পর ধরা পড়েছে ওই সব তারায় বর্তমানের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি হাইড্রোজেন ছিল।জানা যায়,সায়েন্স জার্নাল নেচার-এ প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রটির লেখক আদিত্য চৌধুরি। তারাদের সংখ্যা এত কমে যাওয়া প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য,অ্যাটমিক হাইড্রোজেনের ক্ষমতা কমে আসছে। রাতের আকাশে যে সমস্ত নক্ষত্র আমরা সাধারণত দেখতে পাই, তার অর্ধেকই কয়েকশো কোটি বছর আগের বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে এ বিষয়ে বিজ্ঞানী জয়রাম চেঙ্গালুরের বক্তব্য, ছায়াপথ নিয়ে গবেষণা পূর্বেই শুরু হয়েছে। তবে পারমানবিক হাইড্রোজেন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেলে ছায়াপথের জন্মতত্ত্ব নিয়েও অনেক বিষয় স্পষ্ট হবে, এমনটাই মনে করছেন পুনের ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (এনসিআরএ)-র এই বিজ্ঞানী।মহাজাগতিক বিষয় নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। গত শতাব্দী থেকেই এই নিয়েও জল্পনার অন্ত নেই। খুব তাড়াতাড়ি মিলতে চলেছে সেই উত্তরও। শুক্র গ্রহে ফসফিন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে কি না, সেই উত্তরও পাওয়া যাবে এমনই মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *