Ramkrishna Lifestyle Others 

মনে-জ্ঞানে ও ধ্যানে শ্রীরামকৃষ্ণ

শ্রীরামকৃষ্ণ নামটি স্মরণে এলেই একটা ভক্তিভাব জেগে উঠে। আমরা রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি। দেবতার আসনে বসিয়ে পুজো করে থাকি। আমাদের মনে-জ্ঞানে ও ধ্যানে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। ধর্মে ধর্মে বিদ্বেষ নয়,মানুষের সেবাই পরম ধর্ম হতে পারে। দীপ্ত কণ্ঠে তিনি বলতে পেরেছেন “সবার ধর্মই তাঁর ধর্ম।” হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে তাঁর জন্ম হয়েছিল। গদাধর চট্টোপাধ্যায় পরবর্তী সময়ে হয়ে উঠেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। বিশ্বের ইতিহাসে এক অনন্য চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। তাঁর শীর্ষ হিসেবে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন,”শ্রীরামকৃষ্ণ অবতারবরিষ্ঠ।” তাঁর জীবনের শিক্ষা আমাদের পরম পাথেয়।শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ-“যত মত তত পথ। আপনার মতে নিষ্ঠা রাখিও,কিন্তু অপরের মতের দ্বেষ বা…

Read More
shiv and sakti Others 

মহাশিবরাত্রি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পুজো

শিবরাত্রি হিন্দু ধর্মের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পুজোর মধ্যে অন্যতম। শৈব সম্প্রদায়ের মধ্যে এই পুজোর প্রচলন ছিল। পরবর্তী সময়ে তা অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে যায়। শিবরাত্রির ব্রত পালিত হয়ে থাকে।অনেকেই মনে করেন, শিবরাত্রি একটি মেয়েলি ব্রত হিসেবে পরিচিত। এটা ঠিক নয়। নারী-পুরুষ সবাই এই ব্রত পালন করতে পারেন। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে মহাশিবরাত্রি পালিত হয়। এবার মহাশিবরাত্রির সময়সূচি: ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার। তিথি শুরু সকাল ৯.৪২ মিনিট। তিথি শেষ ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮.৩১ মিনিট। শিবপুরাণে উল্লেখ করা হয়েছে, চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হলেও প্রস্তুতি শুরু হয় ত্রয়োদশীর দিন থেকেই। সেই…

Read More
sarada maa Education Entertainment Others 

সারদা পরশে বিশ্ব আলোকিত

সারদা মা। দেবী রূপে পূজিতা। দেবী সারদা ছাড়া আমরা ব্যাকুল ও শূন্য হয়ে পড়ি। মায়ের আশীষ ছাড়া বেঁচে থাকাও সম্ভব নয় বলে মনে করি । সকলের প্রার্থনা থাকে সারদা মায়ের কাছে। আদরে আবদারে শুধুই সারদা মা। অনেকে কেঁদে মাকেই খুঁজে চলে। মা যেন কখনো আমাদের ছেড়ে না যায়। সারদা ছাড়া আমাদের কোনও ইচ্ছেই পূরণ হয় না। মায়ের মুখ দেখে ও হাসিতে আমরা খুশি হই। মায়ের হাসিতে বিশ্ব আলোকিত হয়ে যায়। মায়ের পরশে সব দুঃখ মুছে যায়। সারদা মায়ের একটি বাণীতে স্পষ্ট হয়ে উঠে জীবন। তিনি বলেছেন,”যদি শান্তি চাও মা কারও…

Read More
ramkrishna kali Education Others 

অসীম শক্তির প্রতীক মা কালী

সাধক রামপ্রসাদের শ্যামাসঙ্গীত বঙ্গের কালীপুজোর ইতিহাসে আজও স্মরণীয়। বাংলার ঘরে ঘরে এই সঙ্গীত এখনও অন্য মাত্রা বয়ে আনে। দীপান্বিতা অমাবস্যায় মা মহাকালীর আরাধনা ঘিরে উন্মাদনা থাকে। মন্ডপে-মন্ডপে মন্দিরে-মন্দিরে জগৎ জননীর আবির্ভাব ঘটে। কালী মায়ের পুজো এখন আলোর উৎসবে মাতোয়ারা। এই পূণ্যলগ্নে জগৎ জননীকে স্মরণ করে থাকি আমরা। মায়ের চরণে প্রণাম নিবেদন করে থাকি। সব অশুভ শুভ করার লক্ষ্যে আলোয় আলোকিত করা হয়। কালীপুজোর এই অমাবস্যা আলোয় আলোয় ভরে উঠে। শুরু হয় মায়ের আরাধনা। এই পুজোর অতীতটা স্মরণ করলে চলে আসে কয়েকটি নাম। অন্যদিকে তান্ত্রিক ও ডাকাতদের পূজিতা দেবী মণ্ডপে মণ্ডপে…

Read More
devi kalika Others 

তেজ ও অশুভ শক্তির মূর্ত প্রতীক দেবী কালিকা

দেবীরূপেণ মহাকালী। দশ মহাবিদ্যার অন্যতম কালী। প্রধান শক্তির দেবী হিসেবে পরিচিত। তেজ ও অশুভ শক্তির মূর্ত প্রতীক। পুরাণ মতে বলা হয়েছে,দেবী কালী কখনও চণ্ডীরূপে কখনও মাতঙ্গীরূপে। কখনওবা হিমালয় মেনকার দুহিতা। কৃষ্ণবর্ণ যার ত্বক। শাস্ত্র পণ্ডিতরা বলেন,কালী ভিন্ন রূপে উগ্রতারা। কৃষ্ণরূপ থেকে গৌর অঙ্গে পরিবর্তিত হন বলেই তিনি কৌশিকী। ছিন্নমস্তা রূপেও তিনি বিরাজমান। কালী পরমা প্রকৃতি করলা। ঋকবেদে বর্ণনা করা হয়েছে,গভীর তমসাবৃত অন্ধকারের সঙ্গে। কালরাত্রি-মহারাত্রি হিসেবেও কালী পরিচিত।অগ্নি-অমঙ্গলনাশিনী রাতের সঙ্গে তুলনা করা হয়। দেবী কালীকে ধ্বংসকারী এবং নব-নির্মাণের প্রতীক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। বলপ্রদায়িনী রূপেও দেবী কালীকে উল্লেখ করা হয়। অপরদিকে…

Read More
mahasakti durga Education Entertainment Others 

শক্তিময়ী মহাদেবী মহিমা

দশভুজা মূর্তির আবির্ভাব কিভাবে হলো তা নিয়ে পণ্ডিত ও শাস্ত্রবিশেষজ্ঞদের অনেক চর্চা শোনা যায়। পুরাণের বর্ণনা অনুযায়ী জানা যায়,আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথিতে দেবতাগণের মিলিত তেজপুঞ্জ থেকে দশভুজা মূর্তির আবির্ভাব ঘটেছিল। হিমালয়ের ঋষি ক্যাতায়নের আশ্রমে আবির্ভূত হওয়ার কারণে তিনি কাত্যায়নী নামে পরিচিত। দেবীর বিচিত্রবর্ণার কথাও উল্লেখ পাওয়া যায়।শ্রীশ্রীচণ্ডীতে উল্লেখ রয়েছে,শিবের তেজে দেবীর মুখ,বিষ্ণুর তেজে দেবীর বাহুসমূহ সৃষ্টি,ইন্দ্রের তেজে শরীরের মধ্যভাগ,ব্রহ্মাতেজে দেবীর পদযুগল, বরুণের তেজে জঙ্ঘা ও উরুদ্ধয়,সূর্যের তেজে পদাঙ্গুলি, চন্দ্রের তেজে স্তনযুগল,পৃথিবীর তেজে নিতম্ব, অষ্টবসুর তেজে করাঙ্গলি,কুবেরের তেজে নাসিকা সৃষ্টি হয়। নানা তেজের রঙ অনুযায়ী দেবীর রঙ বিভিন্ন রঙের বলে…

Read More
durga and kashful Entertainment Others 

হৃদয় জুড়ে উমা বন্দনা

পুজোয় হৃদয়ে দুর্গা। মহিষাসুর বধ করতে দুর্গার মর্ত্যে আগমন। থিমে থিমে সেজে উঠছে পুজো মণ্ডপ। বনেদী বাড়ির পুজো ঘিরে সাজ সাজ রব। থিমের আয়োজনে শিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্রতিমা শিল্পীদের অবসর নেওয়ার সময় নেই এখন। শহর ও গ্রামাঞ্চলের পুজো কমিটিগুলি একে অপরকে টেক্কা দিতে আসরে নেমেছে। আপামর বাঙালির হৃদয় জুড়ে উমা বন্দনার প্রস্তুতি। নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে। প্রতিমা,মণ্ডপ-সজ্জা,আলো নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলেছে। সাবেকি দুর্গার সঙ্গে মানান সই মণ্ডপ সজ্জার সঙ্গে চিরায়ত ভাবনার কাজ চলেছে। দেবীপক্ষের সূচনা হলেই সর্বজনীনের মণ্ডপ পুরোপুরি সেজে উঠবে। শোনা যাবে,”বাজল তোমার আলোর বেণু”…..। ভোর রাতে…

Read More
protima and durga Entertainment Lifestyle Others 

বাঙালির জীবনে দুর্গাপুজো

বাঙালির জীবনের সঙ্গে জুড়ে-জড়িয়ে রয়েছে দুর্গাপুজো। সেকাল থেকে একালে দুর্গা মায়ের আরাধনা চলেছে। মহা-উৎসব বলা চলে। এই শারদোৎসব ঘিরে উন্মাদনা। শাস্ত্রাচারই এই উৎসবের মূল বলা হয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে শাস্ত্রচর্চা, অনেক ততত্ব ও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাহ্যিক ও আন্তরিক সমারোহ দেখা যায়। দুর্গম নামের অসুরকে বিনাশ করেছিলেন বলে তিনি দেবী দুর্গা বলে পরিচিত। পুজো শব্দটির সঙ্গে পবিত্রতা কথাটি জড়িয়ে রয়েছে। পবিত্রতা রক্ষায় এই পুজোর আয়োজন হয়ে থাকে। পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন,পুজো বা যজ্ঞ তিন ধরণের হয়ে থাকে। সাত্ত্বিক,রাজসিক ও তামসিক। শ্রেষ্ঠ পুজো বলতে সাত্ত্বিক পুজোকেই বোঝানো হয়ে…

Read More
mother sarada Others 

মা সারদা সর্বমঙ্গলা

তিনি সর্বময়। সঙ্কটে পড়িলে মা পাশে দাঁড়ান। সত্য ও সেবাই তাঁর ধর্ম। সামাজিক ও সাংসারিক ক্ষেত্রে দেবী সারদা বলেছেন, “যে অল্পেতে তুষ্ট থাকে,তার কাছে এই পৃথিবীর সব কষ্ট সহজ হয়ে যায়। ” মা সারদা যে সর্বমঙ্গলা তা আমরা বলে থাকি। মানুষের সেবাই হল কর্ম। সন্তান জ্ঞানে মানুষের সেবা করেছেন তিনি ।

Read More
sarada devi Others 

সুখে-দুঃখে মা সারদা

সুখে-দুঃখে মা সারদা। রয়েছে তাঁর সহানুভূতি। গরিব-দুঃখীর জন্য তাঁর হৃদয় ব্যথিত হয়েছে। পতিত-কাঙাল দীন -দরিদ্রদের পাশে তিনি থেকেছেন। মা সারদার দেখানো পথে তাঁদের চোখ খুলে গিয়েছে। তাঁর দিব্যচোখে তিনি দেখেছেন সব কিছুকে। দেবী সারদার একটি বাণী আমাদের নতুন করে পথ চলতে শেখায়। তাঁর মুখেই শোনা গিয়েছে,”হেরে যাবো বলে পথ চলা শুরু করিনি,হোঁচট খেয়েছি অনেক,সামলেছি একাই…..তবু মনে আশা আজও আছে,চলতে চলতে পথের বাঁকে কেউ একজন ঠিক বলবে আমি আছি ভয় নাই।”

Read More