২১হাজারের কম বেতনভুক্ত কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের

announcement

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ইএসআইসি স্কিমের নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৷ এতে উপকৃত হবেন প্রায় ৪১ লক্ষ শ্রমিক। প্রস্তাবটি ইএসআইসি বোর্ড অনুমোদন করেছে। তবে মন্ত্রক থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি পাওয়া যায় নি। কেন্দ্রীয় সরকার ইএসআইসি প্রকল্পের মাধ্যমে ৪১ লক্ষ শিল্প শ্রমিককে সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকারি নিয়ম শিথিল করেছে। এই নিয়ম চাকরি প্রার্থীদের জন্য ২৪ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গওয়ারের  নেতৃত্বে এম্পলয়ি স্টেট ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন (ইএসআইসি) বোর্ড এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর ফলে মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪১ লক্ষ শ্রমিক আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন।সূত্রের খবর, ইএসআইসি বোর্ডের আধিকারিক অমরজিৎ কৌর জানিয়েছেন যে, এর আওতায় ইএসআইসির শ্রমিকরা তাঁদের বেতনের ৫০% নগদ বেকার ভাতা হিসেবে পেতে পারেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে ৷ করোনা পরিস্থিতিতে যখন আর্থিকভাবে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে, বহু মানুষ কাজও হারাচ্ছেন তখন এই প্রকল্পে বহু শ্রমিক উপকৃত হবেন। সেক্ষেত্রে তিন মাসের বেতনের ৫০ শতাংশ টাকা তাঁরা পেতে পারেন বেকারভাতা হিসেবে ৷ তবে তিনি আরও বলেছিলেন যে এই প্রকল্পের নিয়মে যদি আরও কিছুটা ছাড় মিলত তাহলে এটি সরাসরি প্রায় ৫ লক্ষ শ্রমিককে আর্থিকভাবে সাহায্য করতে পারত।

শ্রমিকরা যাঁরা প্রতি মাসে ২১হাজার বা তার চেয়ে কম বেতন পান তাঁদের ইএসআইসি প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের কর্মচারীদের প্রতি মাসের বেতনের একটি অংশ কেটে নেওয়া হয়, যা ইএসআইসির মেডিক্যাল বেনিফিট হিসাবে জমা হয়। শ্রমিকদের বেতন থেকে প্রতি মাসে ০.৭৫ শতাংশ এবং নিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রতি মাসে ৩.২৫ শতাংশ ইএসআইসি জমা হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন নতুন নিয়মে শ্রমিকরা নিজেদের টাকার অংশ সরাসরি ইএসআইসি-এর শাখা অফিস থেকে তুলে নিতে পারবেন এবং সেটি শাখা অফিস থেকেই নিয়োগকর্তার থেকে যাচাই করা হবে। এর পরে, সব খতিয়ে দেখে সরাসরি শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কাজ ছেড়ে দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এই টাকা দাবি করা যেতে পারে ৷ যদিও আগে ৯০ দিনের সময়সীমা ছিল এই কাজের জন্য। এর জন্য প্রয়োজন কর্মীদের ১২ ডিজিটের আধার নম্বর। এটি ‘অটল বিমা ব্যক্তি কল্যাণ প্রকল্প’ এর আওতায় করা হবে। এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছিল, যেখানে জানানো হয়েছিল যে, ২৫ শতাংশ বেকার এর সুবিধা পেতে পারেন। তবে এখনও নতুন নিয়ম কার্যকার করার ব্যাপারে শ্রম মন্ত্রকের থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক  বিবৃতি আসেনি।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার মতামত জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *