গুরুপূর্ণিমা-র পুণ্য তিথির তাৎপর্য
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ গুরুপূর্ণিমা। পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এই পুণ্য তিথির তাৎপর্য বর্ণনা করেছেন। গুরুপূর্ণিমা অর্থাৎ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই পালিত হয়ে থাকে। গুরু পূর্ণিমাতে ৪টি রাজযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ করা যায়, আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা অর্থাৎ বেদব্যাসের জন্মদিন। মহর্ষি বেদব্যাস বেদপুরাণ রচনা করেছিলেন।
গুরু পূর্ণিমায় গুরুর পুজো করা হয়। এক্ষেত্রে পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মত, এই দিনটিতে গুরুর কৃপালাভ করা সম্ভব হয়। যাঁরা লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করতে পারেন না বা সাফল্য থেকেও বঞ্চিত থাকেন,এক্ষেত্রে গুরু সম্মান করে গীতা পাঠ করলে ফললাভ মেলে।
পণ্ডিত ও শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী আরও বলা হয়েছে, গুরুপূর্ণিমার দিন গুরুর আশীর্বাদ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি গীতার বেশ কিছু অংশ পড়লে ফল পাওয়া যেতে পারে। আবার মঙ্গল কামনায় গুরুকে হলুদ বস্ত্র দেওয়ার চল রয়েছে। বাধা বিপত্তি থেকে মুক্তি মিলবে। গুরুর কথা মাথায় রেখে ভক্তি শ্রদ্ধা করলে কেটে যাবে বাধা বিপত্তি।
আর্থিক অনটন কাটাতেও গুরু পূর্ণিমার এই দিনের একটা গুরুত্ব রয়েছে। হলুদ রঙের মিষ্টি বা বস্ত্র বিতরণ করলে বিশেষ ফল লাভ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। গুরুদোষ থেকে মুক্তি পাওয়াও সম্ভব হতে পারে। ভাগ্যের সহায়তাও মিলতে পারে গুরুপূর্ণিমার এই বিশেষ দিনে পুজো-পাঠ করলে। লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরে কাটা নারকেল অর্পণও করে থাকেন অনেকে। সামর্থ অনুযায়ী দান ধ্যান করলে ভাল ফল পাওয়া সম্ভব। (ছবি: সংগৃহীত)

