গ্রামীণ এলাকার স্কুলগুলির সিলেবাসে এবার ‘কৃষি’

Agriculture Furm-1

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : গ্রামীণ এলাকার স্কুল পাঠ্যক্রমে প্রবেশ করছে নতুন বিষয় কৃষি। এমনই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, অঙ্ক, বিজ্ঞান ও সাহিত্যের পাশাপাশি এবার নতুন শিক্ষাগত বিষয় হিসেবে থাকবে কৃষি। গ্রামীণ এলাকার স্কুলগুলির সিলেবাসে তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, ঝাঁসিতে কেন্দ্রীয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই এই ঘোষণা করেন তিনি। এক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য, গ্রামীণ এলাকার পড়ুয়ারা তাদের চোখের সামনে কৃষিকাজ দেখতে পাচ্ছে, তেমনই তারা সিলেবাসের মাধ্যমে কৃষির আধুনিক প্রয়োগ, কৃষি-বিজ্ঞান ও নতুন প্রযুক্তি প্রভৃতি বিষয়ে জানতে পারে সেটা অনেক বেশি কার্যকর হবে। তারা নিজেরা ভবিষ্যতে উন্নত কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। নিজেদের গ্রামে ও পরিবারে কৃষি সংক্রান্ত শিক্ষার সুফলও বোঝাতে পারবে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, কৃষি এবার থেকে শিক্ষার নতুন সাবজেক্ট হিসেবেও উঠে আসবে। সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষকও হতে পারবে। শুধুই কৃষিকাজ নয়, বীজের বৈচিত্র, সারের ব্যবহার প্রভৃতি বিষয়ও ওই সিলেবাসে থাকবে। গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি স্কুলেই এই সিলেবাস কার্যকর হবে জাতীয় শিক্ষা নীতির অধীনে। জানা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাসে এভাবেই কৃষিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১ লক্ষ কোটি টাকার আত্মনির্ভর কৃষি তহবিলের মাধ্যমে পরবর্তী দিনে গ্রামাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতেই বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে কর্মসংস্থান, কৃষিকেন্দ্রিক পরিকাঠামো স্থাপন, স্ব-নিযুক্তি ও গ্রামাঞ্চলে শিল্প-গঠনের জন্য ওই তহবিল থেকে বিশেষ সাহায্য দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। সেই লক্ষ্যে বিশেষ উৎসাহ ভাতা ও আর্থিক ছাড়ও দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গ্রামাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে লগ্নি করবে তাঁরা ওই ছাড় পাবে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *