স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হয়ে আন্দোলনে পড়ুয়ারা
পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজ্যপালের চিঠি আসার পরপরই অনেকেই উপাচার্যের বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে শুরু করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজ্যপালের চিঠি আসার পরপরই অনেকেই উপাচার্যের বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে শুরু করেছেন।
২০১৬ সালের ২৮ জুলাই। মহাশ্বেতা দেবীর প্রয়াণ দিবস। বাংলা তথা ভারতের কিংবদন্তি লেখক ছিলেন তিনি। শবর উপজাতির কথা-কাহিনী তুলে ধরেছেন তাঁর লেখনীতে। “শবর-জননী” নামেও খ্যাত হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস “অরণ্যের অধিকার” । একাধিক উপন্যাস-গল্প ও প্রবন্ধ লিখেছেন ।
প্রয়াণ হল আমেরিকান বিজ্ঞানী জন গুডএনাফের। ২০১৯ সালে ৯৭ বছর বয়সে রসায়নে নোবেল পেয়েছিলেন। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। অস্টিনের এক বৃদ্ধাশ্রমে তিনি প্রয়াত হয়েছেন বলে জানা যায়।
চলতি বছরের ২০২৩ সালের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলপ্রকাশ। এই পরীক্ষায় প্রথম স্থান পেয়েছেন মহম্মদ সাহিল আখতার। রুবি পার্কের দিল্লি পাবলিক স্কুলের ছাত্র। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে,২৬ দিনের মাথায় এই ফল প্রকাশিত হল। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন কলকাতার একই স্কুলের পড়ুয়া। দ্বিতীয় হয়েছেন সোহম দাস। জয়েন্টের মেধা তালিকায় রাজ্য বোর্ডের পড়ুয়ারা পিছিয়ে । উল্লেখ্য,প্রথম দশের মধ্যে ৩ জন রাজ্য বোর্ডের পড়ুয়া। বাকি ৬ জন সিবিএসসি ও একজন আইসিএসসি বোর্ডের পড়ুয়া।
১৮৯৯ সালের ২৬ মে। বাংলা ১১ জৈষ্ঠ্য ১৩০৬ বঙ্গাব্দ। বর্ধমানের চুরুলিয়াতে জন্মেছিলেন তিনি। তাঁর গান ও কবিতা স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণা জুগিয়েছিল। জীবন সংগ্রামের ক্ষেত্রেও তাঁর গান-কবিতা প্রেরণা জোগায়। “বল বীর বল উন্নত মম শির…..” সহ অজস্র কবিতায় তিনি বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের এক দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছিল। বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবিও। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সৈনিকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রকাশিত হল এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ৷ পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ । উচ্চ মাধ্যমিকেও জেলার জয়জয়কার। পিছিয়ে কলকাতা। মাধ্যমিকের মতো শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। সম্ভাব্য প্রথম হয়েছেন শুভ্রাংশু সরদার। নরেন্দ্রপুর থেকে ৯৯.২ শতাংশ পেয়ে তাঁর এই সাফল্য । প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬ ৷ উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন দু-জন। বাঁকুড়ার বঙ্গ বিদ্যালয় থেকে সুষমা খান ও উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে আবু সামা। দুজনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫।প্রথম ১০ জনের মধ্যে রয়েছেন ৮৭ জন ৷ যার মধ্যে হুগলি জেলা থেকে ১৮ জন রয়েছেন। পাশাপাশি ১১ টি জেলায় পাশের হার ৯০ শতাংশ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে ৷ পাশের হারে কলকাতা ১০ নম্বর স্থানে ৷ এ বছর মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৮৫২৪৪৪ জন। মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ৮২৪৮৯১জন। পাশ করেছেন ৭৩৭৮০৭ জন ৷
আজ মাধ্যমিক ২০২৩ সালের ফল বের হল। এবার ৭৫ দিনের মাথায় মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ পেল । গত ৪ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু হয় । সকাল ১০টা নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, বেলা ১২টা থেকে ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। কলকাতা এই প্রথম মেধা তালিকার বাইরে রয়েছে। এবার সেরা দশে মোট ১১৮ জন পড়ুয়া রয়েছেন । এবার প্রথম হয়েছেন ১ জন ছাত্রী । দেবদত্তা মাঝি সম্ভাব্য পূর্ব বর্ধমান থেকে ৯৯.৫৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন ২ জন। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের ছাত্র শুভম পাল,তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ৯৮.৭১ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন । মালদহের রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পড়ুয়া রিফাত হাসান সরকার দ্বিতীয় হয়েছেন । তাঁরও প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। একজন ছাত্রীর এ বছর মাধ্যমিকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। কাটোয়া দুর্গাদাস পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা দেবদত্তা মাজি মাধ্যমিকে এবছর প্রথম স্থান পেলেন । তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭। ৯৯.৫৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন এই পড়ুয়া।
আজ মাধ্যমিক ২০২৩ সালের ফল বের হল। এবার ৭৫ দিনের মাথায় মাধ্যমিকের ফল
প্রকাশ পেল । গত ৪ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু হয় । সকাল ১০টা নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, বেলা ১২টা থেকে ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। কলকাতা এই প্রথম মেধা তালিকার বাইরে রয়েছে। এবার সেরা দশে মোট ১১৮ জন পড়ুয়া রয়েছেন । এবার প্রথম হয়েছেন ১ জন ছাত্রী । দেবদত্তা মাঝি সম্ভাব্য পূর্ব বর্ধমান থেকে ৯৯.৫৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন ২ জন। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের ছাত্র শুভম পাল,তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ৯৮.৭১ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন । মালদহের রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পড়ুয়া রিফাত হাসান সরকার দ্বিতীয় হয়েছেন । তাঁরও প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। একজন ছাত্রীর এ বছর মাধ্যমিকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। কাটোয়া দুর্গাদাস পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা দেবদত্তা মাজি মাধ্যমিকে এবছর প্রথম স্থান পেলেন । তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭। ৯৯.৫৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন এই পড়ুয়া।