সারদা দেবীর জন্মদিবস
১৮৫৩ সালের ২২ ডিসেম্বর। বাংলা ১২৬০ সনের ৮ পৌষ। সারদা দেবী জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৫৩ সালের ২২ ডিসেম্বর। বাংলা ১২৬০ সনের ৮ পৌষ। সারদা দেবী জন্মগ্রহণ করেন।
কথায় বলে খালি পেটে জল আর ভরা পেটে ফল। প্রাচীন আমল থেকেই মা-ঠাকুমারা এমনটাই বলে আসছেন।
১৯৮৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর। অভিনেত্রী স্মিতা পাতিল প্রয়াত হয়েছিলেন।
আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন লালা লাজপত রায়। ১৯২৮ সালের ১৭ নভেম্বর লাহোরে তিনি প্রয়াত হন।
ডেঙ্গি সচেতনতা প্রচারে রাজ্যের মন্ত্রী ও বিধাননগরের মেয়র ।
শীতকালে সর্দি -কাশির প্রবণতা বেশি থাকে। শীতের পরশ পড়তেই অনেকের ঠাণ্ডা লেগে যায়। এই সময় সর্দি -কাশি ও কফ প্রভৃতি লক্ষণগুলি মাত্রাছাড়া হয়ে থাকে। শীতের মরশুম আসলেই তাই সতর্ক হওয়াটা স্বাভাবিক। শীত পড়লেই ইমিউনিটি কমতে থাকে । ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু ঘরোয়া উপাদান রয়েছে তা ব্যবহার করতে পারেন। আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডা লাগা থেকে মুক্তি পেতে এইসব জিনিসগুলি ব্যবহার করতে পারেন।
বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগারের সমস্যা বাড়ছে। তাই সতর্ক ও সাবধান হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিকিৎসক মহলের একাংশের মতে,টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস ক্রনিক সমস্যা ৷ এর জন্য দায়ী জিন ৷ টাইপ-টু ডায়াবেটিস মূলত লাইফস্টাইল জনিত অসুখ ৷ আয়ুর্বেদশাস্ত্রে এই সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু চিকিৎসা রয়েছে। ওষুধ, বিকল্প থেরাপি ও জীবনচর্চার মাধ্যমে এই রোগের উপশম সম্ভব বলেও জানিয়েছেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের বক্তব্য,বেশ কিছু ভেষজ রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ৷
“বিশ্ব ক্ষুধা সূচক” রিপোর্ট প্রকাশ পাওয়ার পর উদ্বেগ ও আশঙ্কা বেড়ে চলেছে। ওই রিপোর্ট প্রকাশের পর জানা গিয়েছে, ১২১ টি দেশের মধ্যে ভারত ১০৭তম স্থানে। একাংশের বিশেষজ্ঞদের অভিমত,এই রিপোর্ট দেশের করুণ অবস্থার ছবি প্রতিফলিত করে। দক্ষিণ এশিয়ায় আফগানিস্তান ছাড়া সব দেশই ভারতের চেয়ে তুলনায় এগিয়ে। ক্ষুধার সূচকে নেপাল,বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা থেকেও পিছিয়ে দেশ। তবে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক “বিশ্ব ক্ষুধা সূচক” রিপোর্টটি মানতে নারাজ।
মশার উপদ্রব। ডেঙ্গির আতঙ্ক। বহু ক্ষেত্রে মশার বংশ ধ্বংস করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মশাবাহিত রোগের দাপাদাপি বাড়ছেই। প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই। একটা সময় “নেচার” পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছিল একটি গবেষণাপত্র।ওই গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছিল, মশাবাহিত রোগের বিকল্প উপায়ের সন্ধান। একদলপতঙ্গবিদের গবেষণায় মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ করার বিকল্প পদ্ধতির কথাও জানা যায়।