নয়া প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কার করে স্বীকৃতি শান্তনু মিত্রের

crab

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বিজ্ঞানীরা প্রতিদিন পৃথিবীতে নতুন প্রজাতির জীবনের সন্ধান পেয়ে চলেছেন। সূত্রের খবর, ভারতের প্রাণিবিদ্যা সম্পর্কিত জুলজিক্যাল বিজ্ঞানী শান্তনু মিত্র গবেষণা করেছেন এবং ১৪ টি নতুন প্রজাতির প্রাণী সন্ধান পেয়েছেন। তিঁনি জু-ব্যাঙ্কের স্বীকৃতিও পেয়েছেন। তাঁর আবিষ্কারের কথা ইতিমধ্যে নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং ব্রাজিলের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

জানা যায়, তারকেশ্বরের বিবেকানন্দ পল্লির বাসিন্দা শান্তনুবাবু ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা। এরপর তিনি কানপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জুলজিতে এমএসসি করেন। পরবর্তীতে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজের বাড়িতেই ল্যাবরেটরি তৈরি করেছেন তিঁনি। সূত্রের আরও খবর, বিশ্ব ইতিহাসের অনেক অজানা প্রাণী এই ল্যাবরেটরি থেকে আবিষ্কার হয়েছে।

দিঘার উপকূলে একটি নতুন প্রজাতির কাঁকড়া আবিষ্কার করেন তিঁনি যার বৈজ্ঞানিক নাম ডেটিলা ফেটারনালিস। ফেটারনালিস কথাটির লাতিন ভাষায় অর্থ হলো আত্মীয়। উল্লেখ্য, ১৮৮৮ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী ডি ম্যান দিঘার উপকূলে ডেটিলা ইন্টারমিডিয়া নামে একটি ছোট কাঁকড়া আবিষ্কার করেছিলেন। কাঁকড়ার এই নতুন প্রজাতিটি আবিষ্কার করতে ১৩২ বছর সময় লেগেছে বলে জানা যায়। ৮ জুলাই জু-ব্যাঙ্কের থেকে তাঁর আবিষ্কারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ করা যায়, মিজোরামে টেরেটামন ইন্ডিকম নামে একটি নতুন প্রজাতির কাঁকড়া আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। ৯ সেপ্টেম্বর তিনি হিমালয় অঞ্চলেও একটি নতুন প্রজাতির কাঁকড়া আবিষ্কার করেন। এরপর মণিপুরে একটি নতুন প্রজাতির কাঁকড়ার সন্ধান পেয়েছেন। ২৪ আগস্ট তাঁর আবিষ্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। তিনি এর নাম দিয়েছিলেন ব্যাডিস্টেমন ফালভাম। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তিনি এই কাজের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *