আলোর উৎসবে বাজারে চাহিদা বাড়ছে মোমবাতি-প্রদীপের

Candles

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ হাইকোর্টের নির্দেশে চলতি বছরের কালীপুজোর রাতে আতসবাজি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজ্যে কেবল কালীপুজোতেই নয়, পুরো নভেম্বর মাসে জুড়ে আতসবাজি ছড়ানোর পক্ষে নয়। তবে মোমবাতি এবং প্রদীপ শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীরা এই সুযোগটি কাজে লাগাতে তৎপর।

কালীপুজো বা দীপাবলি মানে আলোর উৎসব। এবার আর কোনও বাজি নয়। এক্ষেত্রে মোমবাতি বা প্রদীপ তো রয়েছেই। মোমবাতি শিল্প এ বছর বাজার জমাতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। মোমবাতি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ হওয়ার পরে অনেকে মোমবাতি কিনতে জোর দিচ্ছেন।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ মোম নির্ভর শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মোমবাতি তৈরিতে প্রচুর সুতো ব্যবহৃত হয়। সুতার দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে। তবে সেই অনুযায়ী মোমবাতির দাম বাড়ানো সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মোমবাতির দাম বাড়লে চাহিদা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা বড় অঙ্কের লাভের কথা ভাবছেন না। তাঁরা সর্বনিম্ন মূল্যে বাজার দখলের চেষ্টা করছে। সূত্রের খবর, মোমবাতির দাম ৫ টাকা থেকে শুরু হয়েছে। ৫০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরণের মোমবাতি রয়েছে।
আবার বাজি নিষেধাজ্ঞার ফলস্বরূপ শহরের বিভিন্ন বাজারে বিবিধ মোমবাতি এবং প্রদীপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রঙের সুগন্ধযুক্ত মোমবাতিও বাজারে এসে গিয়েছে। এক্ষেত্রে জানা যায়, ৫০-৬০ টাকার প্যাকেটে ১০টি করে মোমবাতি পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে এসে বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন যুক্ত প্রদীপও। এর দাম ২ টাকা থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে কালীপুজো বা দীপাবলিতে মোমবাতি এবং প্রদীপ নিয়ে ব্যবসায়ীরা পসরা সাজাতে তৈরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *