লক্ষ্য ইলিশ : কাকদ্বীপ মৎস্য বন্দরে গঙ্গাপুজো
একদিকে মরশুমে ইলিশ জালে পড়ার প্রত্যাশা অন্যদিকে সমুদ্রে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া।
একদিকে মরশুমে ইলিশ জালে পড়ার প্রত্যাশা অন্যদিকে সমুদ্রে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া।
ভরা বর্ষার মরশুম হলেও ইলিশের দেখা মিলছে না। বাঙালির পাতেও ইলিশ পড়ছে না। রাজ্যে বিরামহীন বর্ষণ চলছে। তথাপি ইলিশের খোঁজ নেই। ইলিশ প্রেমীরা কোলাঘাটের ইলিশকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। এবার রূপনারায়ণেও ইলিশের আকাল। বাজারেও ইলিশের উপস্থিতি নেই । এই আবহে মৎস্যজীবীদের আর্থিক সঙ্কট বেড়েছে ।
প্রবেশ করল ইলিশ। সূত্রের খবর, কয়েক হাজার কিলোগ্রাম ইলিশ এসে পৌঁছেছে কাকদ্বীপে। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোগ্রাম করে মাছ নিয়ে ৮ থেকে ১০টি ট্রলার কাকদ্বীপ মৎস্য বন্দরে এসে পৌঁছায়।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, সুন্দরবন বিস্তীর্ণ এলাকা গুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে ।
বড় ইলিশের আশা করছেন মৎস্যজীবীরা। সূত্রের খবর, মরশুমের প্রায় ৩ মাস পর অল্প হলেও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশ খরা কিছুটা হলেও কাটতে চলেছে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রের খবর, বড় মাপের ইলিশ নিয়ে ট্রলারগুলি ফিরতে শুরু করেছে কাকদ্বীপে।
গত ২ বছরের তুলনায় এবার ইলিশ ধরার পরিমাণ অনেক কম। এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন মৎস্যজীবীরা। সূত্রের খবর, ভরা বর্ষাতেও ইলিশের দেখা নেই। বাঙালির পাতে তা পড়ছেও না।
আষাঢ় চলে গিয়ে পড়েছে শ্রাবণ মাস। খাদ্যরসিক বাঙালির পাতে ইলিশ পড়েনি। ইলিশ পছন্দ করা মানুষরা আশা করেছিলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে দূষণ কম হওয়ায় এই মরশুমে ইলিশের জোগান ভাল হবে।
পদ্মা-মেঘনার “রুপোলি ফসল” ইলিশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এপার বাংলার বাঙালিরা। বঙ্গবাসীর রসনা তৃপ্তির খোঁজে এবার নরওয়ে।