তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের অনুমতি
শিবরাত্রির দিন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে তারকেশ্বর মন্দিরে
শিবরাত্রির দিন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে তারকেশ্বর মন্দিরে
খুলে যাচ্ছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। ভক্ত-দর্শনার্থীরা এবার মা ভবতারিণীর দর্শন পাবেন। সর্বোচ্চ ২০জন মূল মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরের গেটের বাইরে থার্মাল চেকিং থাকবে ।
এবছরও গঙ্গা নদীর বিভিন্ন ঘাটে গঙ্গা দেবীর আরাধনা করা হয়। তবে জৌলুস নেই। নদীর সাথে যুক্ত জীবিকার মানুষরা মূলত এই পুজো করে থাকেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই পুজো কম-বেশি হয়ে থাকে।
মায়েদের নীলষষ্ঠীর ব্রতপালন প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। ছেলে-মেয়ে দুধে ভাতে থাকার জন্যেই এই বাসনা তাঁদের।
পঞ্জিকা মতে সরস্বতী পুজোর দিন একটি শুভক্ষণ। বসন্তপঞ্চমী মানেই বাঙালির কাছে একটি ভালবাসার দিন।
৮ ফেব্রুয়ারি নক্ষত্রযোগ। শুভ মুহূর্ত রাহুকাল ও দিনের অন্য লগ্ন। পঞ্চ অঙ্গের সমাহারকে জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বলা হয়ে থাকে পঞ্চাঙ্গ।
ধনতেরাসে যথাসময়ে পুজো করলে ভাগ্যদেবী সহায় থাকেন বলে পুরোহিত ও শাস্ত্রবিদরা বলে থাকেন।
আশ্বিনের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী। আজ তারা মায়ের আবির্ভাব তিথিও।
কপিল মুনির মন্দির খুলে গেল। সোমবার মন্দিরের মোহন্ত দরজা উন্মুক্ত করলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, ৭৩ দিনের মাথায় এই মন্দির খোলা হল।