আমি সরকারের বিধায়ক, তবুও বারবার প্রেক্ষাগৃহের আবেদন জানিয়ে পাইনি! আক্ষেপ চিরঞ্জিতের

অভিনয় এবং রাজনীতি দুই দিক নিয়েই ব্যস্ত চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকার তিনি জানান যে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থান ঠিক রাখতে গেলে বাংলা ধারাবাহিকের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। বর্তমানে এই ইন্ডাস্ট্রিকে অনেকটা শক্ত করে রেখেছে এই বাংলা ধারাবাহিক।এছাড়া তিনি সংবাদমাধ্যমকে আরো বলেন যে, তিনি বাণিজ্যিক এবং অন্য ধারার ছবি উভয় ক্ষেত্রেই অভিনয় করেছেন। আর তিনি মনে করেন যে বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করে উপার্জিত অর্থ থেকেই অন্য ধরনের ছবি বানানো সম্ভব হয়।এছাড়া চিরঞ্জিত চক্রবর্তী মনে করেন যে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত হলেন এমন একজন অভিনেত্রী যিনি ছাড়া বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কথা তিনি ভাবতে পারেন না।

সংবাদ মাধ্যমের তরফ থেকে তার কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয় সন্দেশখালিকাণ্ডে শেখ শাহজানের বিষয়ে যার,উত্তরে তিনি বলেছেন যে শেখ শাহজাহান হলেন একজন অপরাধী। তৃণমূলের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর একটি স্বপ্নের প্রকল্প হল একটি প্রেক্ষাগৃহ তৈরি করা যার নামও তিনি ভেবেছেন ‘সুনন্দন’। এই বিষয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে জানিয়েছেন যদিও এখনো কোনো রকম সরকারের তরফ থেকে কিছু জানা যায়নি ।

চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর কাছে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কিছু নায়কের। সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি সেই প্রসঙ্গে বলেন যে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তার কাছে ভাইয়ের মতো এবং ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায় কে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতার তকমা দিয়েছেন।এছাড়া বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি হেসে উত্তর দেন তিনি হলেন তার ভিলেন। অবসর সময়ে চিরঞ্জিত অভিনয় এবং রাজনীতি ছাড়া গান গাওয়া, যোগ ব্যায়াম, ছবি আঁকার মাধ্যমেই সময় কাটাতে ভালোবাসেন।কারণ তার বন্ধু সংখ্যা ও খুব কম, তিনি মনে করেন যে মানুষের মধ্যে অহংকার মনোভাব এতটা যে তাদের সঙ্গে সেই রকম বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখা যায় না।সম্প্রতি তিনি ‘দাবাড়ু’ নামক ছবিতে অভিনয় করে খুব ভালো অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন। তিনি নিজে দাবা খেলতে না পারলেও তিনি মনে করেন যারা দাবা খেলতে পারে তারা ‘জিনিয়াস’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *