লকডাউনে অবসর কাটাতে নেটপাড়ায় জমায়েত
দেশব্যাপী লকডাউন। কার্যত গৃহবন্দি দেশের মানুষ। ঘরবন্দি থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন অনেক মানুষই। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে কেউ-কেউ দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তাও। আবার সময় কাটানোর পথ খুঁজছে জেন নেক্সট। টানা ২১ দিনের লকডাউন।
দেশব্যাপী লকডাউন। কার্যত গৃহবন্দি দেশের মানুষ। ঘরবন্দি থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন অনেক মানুষই। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে কেউ-কেউ দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তাও। আবার সময় কাটানোর পথ খুঁজছে জেন নেক্সট। টানা ২১ দিনের লকডাউন।
বাচ্চা সামলানো এবং শিশু-কিশোরদের শান্ত করার টোটকা দিলেন চিকিৎসক ও মনোবিদরা। লকডাউনে বাড়ি থেকে বেরনো যাচ্ছে না। প্রাপ্তবয়স্করা মেনে নিলেও শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে তা মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।
লকডাউন পরিস্থিতি। গোটা রাজ্যেই রক্তের আকাল। থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে বড় সমস্যা। মজুত রক্তের পরিমাণ কমেছে। সূত্রের খবর, এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাঙ্ক এবং স্থানীয় কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের যৌথ উদ্যোগে অত্যাধুনিক রক্ত সংগ্রহকারী ভ্রাম্যমাণ গাড়িতেই রক্তদান শিবিরের ব্যবস্থা করা হল।
লকডাউনে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড পরিমাণে কমল। জানা গিয়েছে, ৩ সপ্তাহের লকডাঊনের প্রথমদিন সারা দেশে বিদ্যুতের ব্যবহার গত ৫ মাসের মধ্যে সবথেকে কম। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ৩ সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কেন্দ্রের ভাঁড়ারে দু-বছরের খাদ্যশষ্যের মজুত রয়েছে। তাই ব্যাহত হবে না অত্যাবশ্যক সামগ্রীর যোগান। এমনই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ২১ দিনের লকডাউনে অত্যাবশ্যক সামগ্রীর কোনও ঘাটতি হবে না বলে আশ্বস্তও করেছেন তিনি।