প্রতিদিন শরীরে কতটা প্রোটিন প্রয়োজন
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কোনও মানুষের আদর্শ শরীরে প্রতি কেজিতে ৮ গ্রাম করে প্রোটিনের দরকার। এখন বিষয় হল – আদর্শ ওজনের মাপকাঠি কি হবে এবং তা বুঝতে পারা যাবে কি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কোনও মানুষের আদর্শ শরীরে প্রতি কেজিতে ৮ গ্রাম করে প্রোটিনের দরকার। এখন বিষয় হল – আদর্শ ওজনের মাপকাঠি কি হবে এবং তা বুঝতে পারা যাবে কি করে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কোনও মানুষের আদর্শ শরীরে প্রতি কেজিতে ৮ গ্রাম করে প্রোটিনের দরকার। এখন বিষয় হল – আদর্শ ওজনের মাপকাঠি কি হবে এবং তা বুঝতে পারা যাবে কি করে। এক্ষেত্রে তা বের করার সঠিক পদ্ধতি হল – একজন মানুষের শরীরের উচ্চতা সেন্টিমিটারে মেপে তা থেকে ১০০ বিয়োগ করলে যে উত্তর পাওয়া যাবে তার কাছাকাছিই হল আপনার আদর্শ শারীরিক ওজন
প্রাণায়াম, আসন ও খালি হাতের ব্যায়াম করার জন্য দুটি সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে উপযুক্ত সময় হল- সকাল ও সন্ধ্যা। সকালে সূর্য ওঠার আগে ব্যায়াম করতে পারলে সবথেকে ভাল হয়।
দেশব্যাপী লকডাউন। কার্যত গৃহবন্দি দেশের মানুষ। ঘরবন্দি থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন অনেক মানুষই। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে কেউ-কেউ দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তাও। আবার সময় কাটানোর পথ খুঁজছে জেন নেক্সট। টানা ২১ দিনের লকডাউন।
শরীরকে সতেজ রাখতে দাওয়াই আয়ূশ মন্ত্রকের। করোনা থেকে মুক্তি পেতে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তবে কোভিড-১৯-র সঙ্গে লড়াই করতে শরীরের ইমিউনিটি বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আয়ূশ মন্ত্রক কিছু পরামর্শ দিয়েছে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে পথে পুলিশ-প্রশাসন সজাগ। কর্তব্যরত কর্মীদের যাওয়া-আসায় যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, তা দেখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, এর মধ্যেই ৬০ কিলোমিটারের বেশি সাইকেলে চালিয়ে ডিউটিতে এলেন কলকাতা পুলিশের এক এএসআই।
ইংল্যান্ডের মহিলা ক্রিকেটে দলের অধিনায়ক হিদার নাইট করোনা মোকাবিলার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হলেন।
করোনাজনিত কারণে দেশব্যাপী লকডাউন। রাজ্যের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ম্যাকাউট’ কর্তৃপক্ষ ঘরে বসেই কাজ করতে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করে চলেছে। কলেজ সূত্রের খবর, অধীনস্থ কলেজের পড়ুয়াদের “ম্যান্ডেটরি অ্যাক্টিভিটি রিকোয়ারমেন্ট (মার)”-এর জন্য সিলেবাসের বাইরেও অনেক কাজ করতে হয়।
ক্যামেরার সামনে নয়, এবার বাস্তবে করোনা যুদ্ধে দেশের সেবায় অভিনেত্রী শিখা মালহোত্রা।সূত্রের খবর, দিল্লির বর্ধমান মহাবীর মেডিক্যাল কলেজ ও সফদরজঙ হাসপাতালের নার্সিংয়ের ডিগ্রি নিয়ে পাস করেছেন শিখা।
লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করছেন অনেকেই। রাস্তায় বেরনোর জন্য পুলিশ কখনও লাঠিচার্জ করছে। আবার কখনও কান ধরে ওঠবোস করাচ্ছেন। এই বাস্তব পরিস্থিতিটা বুঝতে পারছেন না প্রাপ্তবয়স্ক অনেকই। এক নিমেষে তা বুঝে গিয়েছে বর্ধমানের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শাজমিন মল্লিক।