অর্থনীতির উপর পড়বে মন্দার প্রভাব
গোটা বিশ্বে করোনার গ্রাস। বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এই মারণ ভাইরাসে। স্তব্ধ গোটা দুনিয়ার জনজীবন। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বিশ্বের অর্থনীতিও টালমাটাল। পড়েছে করোনার প্রভাব।
গোটা বিশ্বে করোনার গ্রাস। বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এই মারণ ভাইরাসে। স্তব্ধ গোটা দুনিয়ার জনজীবন। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বিশ্বের অর্থনীতিও টালমাটাল। পড়েছে করোনার প্রভাব।
দেশব্যাপী লকডাউন। কার্যত গৃহবন্দি দেশের মানুষ। ঘরবন্দি থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন অনেক মানুষই। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে কেউ-কেউ দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তাও। আবার সময় কাটানোর পথ খুঁজছে জেন নেক্সট। টানা ২১ দিনের লকডাউন।
কলকাতা পুরসভা লকডাউনের কারণে কর জমা দেওয়ার সময় বৃদ্ধি করল। জুন মাসে দেওয়া যাবে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিক কর।বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরতে বারণ করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে।উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিক পুরসভার কর জমা দেওয়ার সময়।
এবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লড়া সমস্ত চিকিৎসক,নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের কথা চিন্তা করে একটি হেল্প লাইন চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কথাও চিন্তা করলেন তিনি
শরীরকে সতেজ রাখতে দাওয়াই আয়ূশ মন্ত্রকের। করোনা থেকে মুক্তি পেতে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তবে কোভিড-১৯-র সঙ্গে লড়াই করতে শরীরের ইমিউনিটি বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আয়ূশ মন্ত্রক কিছু পরামর্শ দিয়েছে।
গৃহবন্দি থাকলে প্রতি ঘন্টায় সেলফি, এমনই নির্দেশ জারি হল কর্নাটকে। করোনা ঠেকাতে হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ থাকলেও আক্রান্ত এবং সম্ভাব্য সংক্রামিতদের অনেকেই তা মানছেন না বলে অভিযোগ।
আইনজীবিদের সওয়াল থেকে বিরত থাকার সময় বাড়ানো হয়েছে। এ মাসের ৯এপ্রিল পর্যন্ত সেই মেয়াদের সময়সীমা করা হল।
বাচ্চা সামলানো এবং শিশু-কিশোরদের শান্ত করার টোটকা দিলেন চিকিৎসক ও মনোবিদরা। লকডাউনে বাড়ি থেকে বেরনো যাচ্ছে না। প্রাপ্তবয়স্করা মেনে নিলেও শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে তা মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।