আন্টার্কটিকার ২০ শতাংশ বরফই গলে গেল ৯দিনে ভয়াবহ বিপদের আশঙ্খা
আন্টার্কটিকার বরফের ২০ শতাংশ গলে গেল।তাও আবার মাত্র ৯দিনে।
আন্টার্কটিকার বরফের ২০ শতাংশ গলে গেল।তাও আবার মাত্র ৯দিনে।
দেশব্যাপী চলছে স্বচ্ছ ভারত অভিযান। বায়ুদূষণ কমাতে উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। এরপরও লজ্জাজনক পরিস্থিতি। আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গেল ভারতের করুণ চেহারা। সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়েছে, ২০১৯ সালে বিশ্বের ৩০টি সর্বাধিক দূষিত শহরের মধ্যে ২১টি শহরই ভারতে অবস্থিত।
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্লাস্টিক -বর্জ্য পোড়ানোর দূষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভার তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টে। কলকাতা শহরের বায়ুদূষণে প্লাস্টিক বর্জ্য উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।আবার প্লাস্টিক বর্জ্য পোড়ানোর ফলে নির্গত গ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে মানুষের ফুসফুসে।প্লাস্টিক বর্জ্যের ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে দীর্ঘদিন শরীরে প্রবেশ করতে থাকলে, হতে পারে ক্যান্সারও।এই শহরে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কলকাতা…
এবার সল্টলেকের বাসিন্দাদের কাগজের তৈরি বিশেষ প্যাকেট বিতরণ শুরু করতে চলেছে বিধাননগর পুরনিগম। জানা গিয়েছে, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওষুধের প্যাকেট-সহ অন্যান্য মেডিক্যাল বর্জ্যের জন্য এখন থেকে এই ব্যবস্থা চালু হবে। এই ধরনের জাতীয় বর্জ্য ফেলতে হবে নির্দিষ্ট ওই প্যাকেটে।
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিমত,বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে।ক্ষুধা,দারিদ্র ও কর্মসংস্থানের অভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যর্থ হবে বিশ্বের মানুষ।উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে,ম্যালেরিয়া রোগের মতো রোগের ক্ষেত্রেও প্রাণহানির সংখ্যা বাড়বে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০থেকে ২০৫০সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছর ২লক্ষ ৫০হাজার মানুষ মারা যাবে।…
৭ফুট ৩ইঞ্চি একটি সাদা ডলফিন উদ্ধার হল ইছামতী নদী থেকে।বাদুড়িয়া থানার ইছামতীর পলতা ঘাট থেকে উদ্ধার হয়েছে এটি।
সকাল ৭ টার পরেও কলকাতার আকাশে সূর্যের দেখা নেই। বরং কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে কলকাতায়। যে কোনও মুহূর্তে ঝেঁপে আসতে পারে প্রবল বৃষ্টি। বিহার এবং পূর্ব উত্তর প্রদেশের ওপর অবস্থিত ঘূর্ণাবর্তের জেরেই মৌসম ভবন থেকে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
নদিয়ায় নাইট্রেট নামক তেজষ্ক্রিয় ধাতুর বিপদের আশঙ্কা, গবেষণাপত্রে উদ্বেগ
মৌমাছির দৌরাত্ম্যে জেরবার ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাডেনার জনজীবন