মাস্ক প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক
সংক্রমণ এখনও স্থানীয় স্তরে থাকায় সকলে মাস্ক পড়ার প্রয়োজন নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
সংক্রমণ এখনও স্থানীয় স্তরে থাকায় সকলে মাস্ক পড়ার প্রয়োজন নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
এবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লড়া সমস্ত চিকিৎসক,নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের কথা চিন্তা করে একটি হেল্প লাইন চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কথাও চিন্তা করলেন তিনি
শরীরকে সতেজ রাখতে দাওয়াই আয়ূশ মন্ত্রকের। করোনা থেকে মুক্তি পেতে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তবে কোভিড-১৯-র সঙ্গে লড়াই করতে শরীরের ইমিউনিটি বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আয়ূশ মন্ত্রক কিছু পরামর্শ দিয়েছে।
গৃহবন্দি থাকলে প্রতি ঘন্টায় সেলফি, এমনই নির্দেশ জারি হল কর্নাটকে। করোনা ঠেকাতে হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ থাকলেও আক্রান্ত এবং সম্ভাব্য সংক্রামিতদের অনেকেই তা মানছেন না বলে অভিযোগ।
বাচ্চা সামলানো এবং শিশু-কিশোরদের শান্ত করার টোটকা দিলেন চিকিৎসক ও মনোবিদরা। লকডাউনে বাড়ি থেকে বেরনো যাচ্ছে না। প্রাপ্তবয়স্করা মেনে নিলেও শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে তা মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।
লকডাউন পরিস্থিতি। গোটা রাজ্যেই রক্তের আকাল। থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা কেন্দ্রগুলিতে বড় সমস্যা। মজুত রক্তের পরিমাণ কমেছে। সূত্রের খবর, এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাঙ্ক এবং স্থানীয় কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের যৌথ উদ্যোগে অত্যাধুনিক রক্ত সংগ্রহকারী ভ্রাম্যমাণ গাড়িতেই রক্তদান শিবিরের ব্যবস্থা করা হল।
নিমতা থানার উদয়পুর অঞ্চলের একটি ক্লাব করোনা মোকাবিলায় মাস্ক বিতরণ করল। স্থানীয় সূত্রের খবর, করোনা-সংক্রমণের জেরে চাহিদা বেড়েছে মাস্কের। করোনাজনিত পরিস্থিতিতে বাজারে মাস্ক মিলছেও না পর্যাপ্ত।
কোরান প্রতিরোধে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের অভাব মেটাতে ৩৫টি সংস্থাকে লাইসেন্স দিল রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল।