স্পেনের রাজকুমারী মারিয়া টেরেসার করোনায় মৃত্যু
কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল স্পেনের রাজকুমারী মারিয়া টেরেসা দ্য বর্বোন-পারমার। সূত্রের খবর, স্পেনের রাজার করোনা পরীক্ষা হয়েছিল। রাজার নেগেটিভ হয়।
কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল স্পেনের রাজকুমারী মারিয়া টেরেসা দ্য বর্বোন-পারমার। সূত্রের খবর, স্পেনের রাজার করোনা পরীক্ষা হয়েছিল। রাজার নেগেটিভ হয়।
জীবনাবসান হল প্রবাদপ্রতিম দার্শনিক জাক দেরিদার স্ত্রী মার্গেরিত দেরিদা অকুতুরিয়েরের (৮৭)। জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর প্যারিসের রথসচাইল্ড ফাউন্ডেশনের অবসরগৃহে তাঁর চিকিৎসা হচ্ছিল।
বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুব্রত মুখোপাধ্যায় (৬৯) প্রয়াত হলেন। জন্ম হয় উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ায়। যকৃতের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই লেখার প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
করোনায় মৃত্যু হল ২১ বছর বয়সী স্প্যানিশ কোচের।নাম ফ্রান্সিসকো গার্সিয়া। মায়াগার আতলেতি পোর্তাদা আলতা ক্লাবে কোচিং করাতেন তিনি।
পাঞ্জাবের দুই খ্যাতনামা ক্রীড়াবিদ প্রয়াত হয়েছেন। ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে কোচ যোগিন্দর সিং সাইনি (৯০) এবং ১৯৬৮ সালের অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জয়ী হকি তারকা বলবীর সিং কুল্লার (৭৭) প্রয়াত হলেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় পরপর ২টি গন্ডারের মৃত্যুতে দিশেহারা বনদফতর। দুটি গন্ডারের মৃত্যু হয়েছে ও ১টি গণ্ডার অসুস্থ হয়েছে ।
বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক সনৎ ঘোষ (৫৯) প্রয়াত হলেন। সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে লিভারের সমস্যাজনিত কারণে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এরপর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ৩৫ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির ছবি তুলেছেন সনৎ ঘোষ।
আটের দশকে বলিউডের বাঙালি পরিচালক হীরেন নাগের হাত ধরে মাধুরী দীক্ষিত ছবির জগতে পা রেখেছিলেন। ১৯৮৪ সালে মাধুরীর বিপরীতে অভিনয়ের জন্য হীরেন নাগ বেছে নিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ তাপস পালকেই। ওই সময় “দাদার কীর্তি”, “সাহেব”-এর মতো কিছু ছবি তাপস পালের ঝুলিতে ছিল। “অবোধ” ছবিতেই বলিউডে প্রথম কাজ করেছেন।
একসময় দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে সাহসের সঙ্গে তিনি উদ্ধার করেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে সতীর্থ-সহ অন্য যাত্রীদের। সেই মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৩ জন। বেঁচে যান ইউনাইটেডের কিংবদন্তি কোচ ম্যাট বুসবি এবং কয়েকজন। তাঁদের বাঁচানোর জন্য ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড তারকা হ্যারি গ্রেগকে বলা হত মিউনিখের হিরো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সার্স ভাইরাসের জ্ঞাতি হলেও তার মতো প্রাণঘাতী নয় সে। অবশ্য সেই নভেল করোনা ভাইরাসই মৃতের সংখ্যায় টেক্কা দিল সার্সকে। শুধু চিনের মূল ভূ-খণ্ড ও হংকং মিলিয়েই এনসিওভি ২০১৯ সালে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৮১৩ জন। সার্সের ক্ষেত্রে পুরো বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছিল ৭৭৪ জন।